উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ দূর করার উপায়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় 
মাস্টার্স শেষ পর্ব
রাষ্ট্রবিজ্ঞান
বিষয় কোড : ৩১১৯০৯ 

নিরাপত্তা অধ্যয়ন (Security Studies)
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নবলি

প্রশ্নঃ বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে উন্নত বিশ্ব কিভাবে তাদের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ মোকাবিলা করবে?

ভূমিকাঃ যে রাষ্ট্র যত উন্নত, সে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ঝুঁকি তত বেশি। তাই নিরাপত্তা হুমকির সূচক নির্ণয় করার সময় উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকি চিহ্নিত করতে হবে। সুতরাং উন্নত বিশ্বের সামরিক নিরাপত্তার পাশাপাশি অন্যান্য নিরাপত্তার বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ মোকাবিলা করার উপায়

নিম্নে উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ মোকাবিলা করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

Ways to address security threats in the developed world
উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ দূর করার উপায়

১. অভিবাসন সংকটের ব্যবস্থাপনাঃ

মানব পাচার, অবৈধ অভিবাসীদের প্রবেশের ফলে উন্নত বিশ্ব নিজেদের পলিসি অনুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না। ফলে তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় অভিবাসন সংকট ব্যবস্থাপনা জোরদার না করলে উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংকট থেকে বের হয়ে আসতে পারবে না।

২. খাদ্য সংকট দূরীকরণঃ

উন্নত বিশ্ব তাদের নিরাপত্তাহীনতা দূরীকরণের জন্য খাদ্য সংকট দূর করতে হবে। কারণ খাদ্যের সরবরাহ ও বণ্টন সুষ্ঠুভাবে না হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তাই উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ কমানোর জন্য খাদ্য সংকট দূর করতে হবে।

৩. কর্ম সংকট দূরীকরণঃ

উন্নত বিশ্বে বহির্বিশ্বের নাগরিকের অভিবাসন, মানব পাচার, উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ, পরিবেশগত শরণার্থীদের আশ্রয় প্রভৃতি মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য কর্ম সংকট তৈরি হচ্ছে। তাই দক্ষ কর্ম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কর্ম সংকট দূর করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

৪. পরিচয় ও নাগরিক নিরাপত্তাঃ

উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ মোকাবিলা করতে হলে পরিচয় ও নাগরিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে হবে। রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের একটি অংশ হিসেবে স্থানীয় ও অভিবাসীদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

৫. পরিবেশ দূষণ রোধঃ

উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ মোকাবিলা করার জন্য পরমাণু চুল্লির ব্যবহার, যুদ্ধবিগ্রহ, শিল্পায়নের অব্যবস্থাপনার ফলে সৃষ্ট বিপর্যয় রোধ করতে হবে।

উপসংহারঃ পরিশেষে বলা যায় যে, উন্নত বিশ্বের সাথে নিরাপত্তাহীনতার বিষয় জড়িয়ে আছে। তাই সন্ত্রাস দমন, খাদ্য ও কর্ম সংকট দূরীকরণ, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলা, বাণিজ্য সংকট দূরীকরণ, পরিচয় ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরমাণু চুল্লির বিস্ফোরণ রোধ করে উন্নত বিশ্বের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।


প্রশ্নঃ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা কিভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব?

অথবা,

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায় সম্পর্কে লিখ।


ভূমিকাঃ বিভিন্ন রকম উত্তেজনা ও অস্থিরতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রায়ই নিরাপত্তাহীনতায় ফেলে দেয়। যখন একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অস্থিরতা বা হাঙ্গামা বিরাজ করে, তখন তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে আন্তর্জাতিক শাস্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির সম্মুখীন করে তোলে। বিভিন্ন সংগঠন ও শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো অবরোধ আরোপ, চাপ সৃষ্টি প্রভৃতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায় 

নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

১. শাস্তি বিনির্মাণঃ

শাস্তি বিনির্মাণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। শান্তি বিনির্মাণ আবার দুপ্রকার। যথা-

(ক) সংঘর্যপূর্ব শান্তি বিনির্মাণ: সংঘর্ষপূর্ব শাস্তি বিনির্মাণের ক্ষেত্রে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক অবস্থায় এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, যেখানে সংঘর্ষের সম্ভাবনা থাকে না।

(খ) সংঘর্ষ পরবর্তী শাস্তি বিনির্মাণ: সংঘর্ষ পরবর্তী শাস্তি বিনির্মাণের ক্ষেত্রে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়, যেখানে সংঘর্ষের পরবর্তী সময়ে আর সংঘর্ষের সম্ভাবনা থাকে না।

২. শাস্তি সংরক্ষণঃ

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে শান্তি সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শান্তি সংরক্ষণের দুটি কৌশল রয়েছে। যেমন-

(ক) প্রতিরোধমূলক কূটনীতি: আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রতিরোধমূলক কূটনীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

(খ) প্রতিরোধমূলক নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ: নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগ, গোয়েন্দার মাধ্যমে নজরদারি করা, সাইবার ক্রাইম মোকাবিলা বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

৩. পাত্তি পুনঃস্থাপন কৌশলঃ

বিবদমান দুটি দেশের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টি করে শান্তি পুনঃস্থাপন করা যায়। এ পদ্ধতির দুটি ধরন রয়েছে। যথা-

(ক) শান্তি তৈরি: যখন দুটি দেশের মধ্যে সংঘর্ষ সীমারেখা অতিক্রম করে, তখন উভয় দেশের আপাতত জরুরি সাংঘর্ষিক ইস্যুসমূহ নিয়ে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা যায়।

(খ) শান্তি রক্ষা: যখন দুটি দেশের মধ্যে বিদ্যমান, সংঘর্ষ সাময়িকভাবে বন্ধ করা সম্ভব হয়, তখন বিবদমান দেশের সাংঘর্ষিক ইস্যুগুলোর আলোচনা, পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান করার চেষ্টা করা হয়া।

উপসংহারঃ পরিশেষে বলা যায় যে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহের মাঝে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বিশ্বকে অবশ্যম্ভাবী বিশ্বযুদ্ধের হাত থেকে বাঁচাতে হলে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে শাস্তি নিশ্চিত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


প্রশ্নঃ বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ কি কি?

অথবা, 

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ সম্পর্কে আলোচনা কর।


ভূমিকাঃ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকির সাথে কাঠামোগত, অবকাঠামোগত, সাংস্কৃতিক, ঔপনিবেশিক নানা ধরনের উপাদানের সংযোগ থাকে। তৃতীয় বিশ্বের নিরাপত্তাহীনতা যতটা তাদের অভ্যন্তরীণ, তার চেয়েও বেশি হচ্ছে বাহ্যিক উপাদানের ফল। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা হুমকির সকল উপাদানের সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ

নিম্নে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকিসমূহ আলোচনা করা হলো:

১. অভিবাসনঃ

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হুমকি হলো অভিবাসন সমস্যা। কারণ অভিবাসনের ফলে তাদের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ব্যবস্থা বা জাতীয় উৎপাদন ব্যবস্থার মেরুদণ্ড ভেঙে যায়।

২. পরিবেশ দূষণঃ

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত দূষণ অনেক বেশি। তাই পরিবেশগত নিরাপত্তা হুমকি তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সংকট।

৩. অধিক জনসংখ্যাঃ

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব অনেক বেশি। অধিক জনসংখ্যা অনুন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য বড় নিরাপত্তা হুমকি, যার সাথে আর্থ-সামাজিক ও অন্যান্য নিরাপত্তার হুমকিও ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

৪. খাদ্য সংকটঃ

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তার পথে বড় অন্তরায় খাদ্য সংকট। আর এ খাদ্য সংকটের সাথে আরো নানা ধরনের উপাদানের সংযোগ রয়েছে।

৫. জ্বালানি সংকটঃ

কাঠামো ও অবকাঠামোগত নানা ধরনের উপাদানের অভাবে অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে জ্বালানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে, যা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ।

৬. মর্যাদার অভাবঃ

মানুষ হিসেবে অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মানুষ প্রাপ্ত মর্যাদা পায় না, যা পরবর্তীতে তাদের ভ্রান্তিভাবে চিন্তাভাবনা করতে শেখায়। ফলে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে নিরাপত্তা হুমকি সৃষ্টি হচ্ছে।

উপসংহারঃ পরিশেষে বলা যায় যে, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে নিরাপত্তা হুমকি অনেক বেশি। প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক উপাদান এ নিরাপত্তাহীনতার সাথে জড়িত। তাছাড়া সামাজিক বঞ্চনা, মর্যাদার অভাব, উপনিবেশবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে হুমকি সৃষ্টি করছে।


প্রশ্নঃ বর্তমান বিশ্বে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায় কি কি?

অথবা, 

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায় সম্পর্কে আলোচনা কর।


ভূমিকাঃ অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকির সাথে কাঠামোগত, অবকাঠামোগত, সাংস্কৃতিক, ঔপনিবেশিক নানা ধরনের উপাদানের সংযোগ থাকে। তৃতীয় বিশ্বের নিরাপত্তাহীনতা যতটা তাদের অভ্যন্তরীণ, তার চেয়েও বেশি হচ্ছে বাহ্যিক উপাদানের ফল। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা হুমকির সকল উপাদানের সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।

অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায়

নিম্নে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায়সমূহ আলোচনা করা হলো:

১. দারিদ্র্যঃ 

অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তার সংকটের প্রধান কারণ হচ্ছে দারিদ্র্য। তারা ঔপনিবেশিক শাসনামল থেকেই দারিদ্র্যের শিকার হয়ে আসছে। তাই অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দারিদ্র্য বিমোচন করতে হবে।

২. সামরিক শক্তি জোরদারকরণঃ

অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলো অপর্যাপ্ত সামরিক শক্তির জন্য বহির্বিশ্বের শত্রু রাষ্ট্র থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। ফলে চোরাচালানি, মানব পাচারকারী অনুন্নত ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে প্রবেশ করে এবং তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে হুমকির সম্মুখীন করে। সুতরাং অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সামরিক শক্তি জোরদার করতে হবে।

৩. কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়নঃ

দুর্বল ও মানহানিকর কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকার কারণে উন্নয়নশীল রাষ্ট্র নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। এ সকল দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

৪. পরিবেশ বিপর্যয় রোধঃ

অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তাহীনতার অন্যতম কারণ পরিবেশ বিপর্যয়। সুতরাং অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবিলা কৌশল এবং কাঠামোগত ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

৫. নিজস্ব উন্নয়ন পলিসি প্রয়োগঃ

ধারকৃত উন্নয়ন পলিসি অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের আর্থিক, পরিবেশ এবং মানবিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে হুমকিস্বরূপ। সুতরাং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোকে নিজস্ব পলিসি প্রয়োগ করতে হবে।

৬. নারীর প্রতি সহিংসতা রোধঃ

অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে নারীর নিরাপত্তা নেই বললেই চলে। ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন তাদের নিত্যসঙ্গী। তাই অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করতে হবে।

উপসংহারঃ পরিশেষে বলা যায় যে, অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে উপরিউক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া খাদ্য ও পানির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অর্থনৈতিক মেরুকরণ রোধ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রয়োগ, জ্বালানি সংকট দূরীকরণ এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন করে অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url