গ্রামীণ কোন্দল কি? গ্রামীণ কোন্দল কিভাবে সমাধান করা যায় আলোচনা
কোন্দলের সংজ্ঞা দাও। বাংলাদেশের গ্রামীণ কোন্দল সমাধানের বিভিন্ন উপায় আলোচনা কর?
অথবা,
কোন্দল কি? এর সমাধানের উপায় আলোচনা কর?
বাংলাদেশ একটি গ্রাম প্রধান দেশ। এটি একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা বাংলাদেশের সমাজকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো এমন একটি উপায়ে দেশের সাধারণ গ্রামীণ জনগণকে প্রভাবিত করে তা মূলত দেশের নগর সভ্যতার সাথে এ গ্রামীণ অঞ্চলগুলাকে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো মূলত প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক এ দু'ভাগে বিভক্ত। আর এর ফলে গ্রামীণ সমাজে বিভিন্ন ধরনের মত ও সম্প্রদায়ের মানুষ লক্ষণীয়। গ্রামীণ জনজীবনে এ ধরনের বৈচিত্র্যপূর্ণ সামাজিক শ্রেণি থাকার কারণে তারা তাদের মধ্যে নানা বিবাদ ও কলহপূর্ণ সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে থাকে। এর ফলে গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়ে থাকে।
![]() |
| গ্রামীণ কোন্দল কি? গ্রামীণ কোন্দল কিভাবে সমাধান করা যায় আলোচনা |
গ্রামীণ কোন্দলঃ
সাধারণ গ্রামীণ জনগণের মধ্যে সামাজিক রাজনৈতিক অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংঘাতকেই গ্রামীণ কোন্দল বলে। গ্রামীণ কোন্দলের সংজ্ঞাগুলো নিম্নরূপ:
১. জি. ডি. উড (G. D. Wood) বলেন, "গ্রামীণ বিভিন্ন প্রভাবশালী গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য যে সংঘাতে আবদ্ধ হয় তাকে কোন্দল বলে।"
২. অধ্যাপক বেইলী (Prof. Baily) বলেন, "গ্রামীণ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড যে গ্রামীণ অস্থিতিশীলতার জন্ম দেয় তাই গ্রামীণ কোন্দল।"
৩. বি. কে. জাহাঙ্গীর বলেন, "শ্রেণিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ কোন্দল সৃষ্টি হয়ে থাকে। মানুষের সচেতনতা ও কোন্দল পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।"
উপরিউক্ত আলোচনায় বলা যায় যে, গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দ্বারা সামাজিক অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা গ্রামীণ কোন্দলের জন্ম দেয়। গ্রামীণ এসব দ্বন্দ্ব সংঘাত উন্নয়নের অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। তাছাড়া গ্রামীণ সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধনের জন্য গ্রামীণ এসব দ্বন্দ্ব সংঘাত সামাজিক বৈষম্য ও তার সাম্যহীনতা তৈরি করে থাকে।
গ্রামীণ কোন্দল সমাধানের উপায়:
বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে নানা সময়ে দ্বন্দ্ব সংঘাত ও কোন্দলের দেখা দিতে পারে। এগুলো সমাধানের উপায় নিম্নরূপ:
১. শিক্ষার প্রসারঃ
বাংলাদেশের গ্রামীণ কোন্দলের একটি প্রধান কারণ সাধারণ জনগণের মাঝে শিক্ষার অভাব। শিক্ষিত সমাজে সামাজিক অস্থিরতা সংঘটিত হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর অভ্যন্তরে ও শিক্ষা উন্নত নেতৃত্ব সম্পর্কে জ্ঞান আরোহণ সহায়তা করবে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো সমাজ অভ্যন্তরীণ যে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা পালন করে শিক্ষার অভাবে তা অসাড় হয়ে পড়ে। গ্রামীণ সমাজে তাই শিক্ষার প্রসার নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন করা সম্ভব।
২. ভূমি আইন সম্পর্কে সচেতনতাঃ
গ্রামীণ সমাজে ভূমি ও এর মালিকানাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে দ্বন্দ্ব সংঘাত দেখা দিতে পারে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর অভ্যন্তরে সাধারণ জনগণের জন্য ভূমি সংক্রান্ত নানা আইনের সঠিক ব্যাখ্যা ও ভূমির সুসম বণ্টন নিশ্চিত করার মাধ্যমে গ্রামীণ সমাজ কাঠামোর অভ্যন্তরে গতিশীলতা আসতে পারে। গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থার অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের অস্থিতিশীলতা ভূমিকেন্দ্রিক হয়ে থাকে যা নিরসনে ভূমি আইনের সঠিক প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
৩. গণতান্ত্রিক চর্চা:
গ্রামীণ সমাজ কাঠামোর অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক চর্চা ও মূল্যবোধ সাধারণ জনগণের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম। গ্রামীণ সমাজে প্রতিটি ব্যক্তি যদি নিজ অধিকার ও কর্তব্য পালনের নিশ্চয়তা পায় তবে এর মাধ্যমে সমাজে তাদের জন্য নিরাপত্তা ও সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর অভ্যন্তরে নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সমাধা করার জন্য সাধারণ জনগণের মতামত গ্রহণকে কেন্দ্র করে নানা অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়, যা উন্নয়নে প্রতিবন্ধক।
৪. বিচারব্যবস্থার সংস্কারঃ
গ্রামীণ সমাজে বিচারব্যবস্থার সনাতন প্রথা গ্রামীণ সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করে। গ্রামীণ সমাজ কাঠামোর অভ্যন্তরে নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয় গ্রামীণ কোন্দলের কারণে। গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার অভ্যন্তরে পক্ষপাতমূলক বিচার গ্রামীণ সমাজে সাধারণ জনগণদের মাঝে দ্বন্দ্ব সংঘাতের সূচনা করে। আর এর ফলে উন্নয়নের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়। গ্রামীণ সালিশ, পঞ্চায়েত ইত্যাদি বিচার কাঠামোর সংস্কার গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য আবশ্যক।
৫. নেতৃত্বের উন্নয়নঃ
গ্রামীণ সমাজে নেতৃত্বের দুর্বলতা সামাজিক সম্পর্কে সঠিক স্বরূপ বিশ্লেষণে ব্যর্থ হয়ে সামাজিক কোন্দলের জন্ম দিয়ে থাকে। গ্রামীণ সমাজ কাঠামোর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক স্থিতিশীলতা গ্রামীণ নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণে সংঘটিত হয়। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো সাধারণ জনগণের জন্য নানা প্রাতিষ্ঠানিক অথবা অপ্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব তৈরি করে। এসব নেতৃত্বে উন্নতি গ্রাম সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা আনয়ন করতে সক্ষম।
৬. সরকারি সাহায্য সমন্বয়ঃ
গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর অভ্যন্তরে সরকারি সাহায্যকে কেন্দ্র করে নানা দ্বন্দ্ব সংঘাত দেখা দেয়। এসব নানা দ্বন্দ্ব সংঘাত দেশের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনাম ক্ষুন্ন করে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো বিভিন্ন সময়ে যদি একে অপরের সাথে সমঝোতা ও সৌহার্দ্যের সম্পর্কে আবদ্ধ হয় তবে এর ফলে গ্রামীণ কোন্দল ও দ্বন্দ্ব সংঘাত নিরসন করা সম্ভব। সরকারি সাহায্য বণ্টনে গ্রামীণ সমাজে ক্ষমতা কাঠামোর সমন্বয় আবশ্যক।
৭. সামাজিক সচেতনতাঃ
গ্রামীণ জনজীবনে সামাজিক সচেতনতা বিভিন্ন গ্রামীণ সমস্যা সমাধানের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকাগুলোতে বিভিন্ন গ্রামীণ জনগোষ্ঠী নিজেদের মধ্যে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের দরুন বিভিন্ন সমস্যা দ্বারা জর্জরিত হয়। আর এটি সামাজিক অস্থিরতা ও প্রগতিকে ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত করে থাকে। সামাজিক সচেতনতা ব্যক্তির সামাজিকীকরণের মধ্য দিয়ে তৈরি করা সম্ভব। আর এ লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, যেমন-স্কুল, কলেজ, মসজিদ, পাঠাগার, সাংস্কৃতিক সংঘ ভূমিকা পালন করতে পারে। গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সামাজিক সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
৮. রাজনৈতিক সচেতনতাঃ
গ্রামীণ জনগণ তাদের রাজনৈতিক নানা অধিকার সম্পর্কে সচেতন না থাকলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর অভ্যন্তরে একজন ব্যক্তি ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার লাভের অধিকার, পেশা ও শিক্ষার অধিকার হরণ করে থাকে। গ্রামীণ সমাজ কাঠামোর অভ্যন্তরে অরাজকতা প্রতিহত করতে সাধারণ জনগণের এসব অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
৯. উন্নয়নমূলক সচেতনতাঃ
সাধারণ গ্রামীণ জনগণের মধ্যে নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত নানা বিভেদ ও ভুল দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত ও কোন্দল দেখা দিতে পারে। আর এর ফলে গ্রামীণ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সরকারিভাবে এসব উন্নয়ন কাঠামোর মাঝে সমন্বয় ও এগুলো সম্পর্কে গ্রামীণ জনগণ সঠিক ধারণা লাভকরতে পারবে যদি তারা সরকারিভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন কাঠামোর দ্বারা সঠিকভাবে পরিচালিত হয় এবং তার স্বরূপ ও বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানলাভ করে থাকে।
১০. ধর্মীয় সচেতনতাঃ
ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গ্রামীণ গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মাঝে বিভিন্ন সময় কোন্দল, সংঘাত দেখা দিতে পারে গ্রামীণ জনজীবনে ধর্মের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। এটি সামাজিক জীবনের অন্যতম চালিকাশক্তি। গ্রামীণ জনগণের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে গ্রামীণ বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক সম্প্রদায় বিভিন্ন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘাত ও দ্বন্দ্বে মেতে উঠে। আর এর ফলে গ্রামীণ জনজীবনের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। এ ধরনের সমস্যা নিরসনের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের সাহায্যে ধর্মীয় এ সম্প্রদায়দের মধ্যকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও গ্রামীণ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
১১. অর্থনৈতিক উন্নয়নঃ
গ্রামীণ জনসাধারণের মধ্যকার বিভিন্ন আর্থিক কারণে দ্বন্দ্ব সংঘাত ও কোন্দল দেখা দিতে পারে। এ ধরনের গ্রামীণ কোন্দল দূর করার ক্ষেত্রে গ্রামীণ সাধারণ জনগণের আর্থিক মুক্তির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বিভিন্ন গ্রামীণ সমাজে সাধারণ গ্রামীণ জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন ও ঝগড়া বিবাদ নিরসন করতে পারে। গ্রামীণ জনগণের আর্থিক উন্নয়নে সাধারণের জন্য ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপন, দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির আওতায় হাঁস, মুরগী, গরু, ছাগল ইত্যাদি পশু-পাখি পালন। গ্রামীণ সমবায় সমিতির সাহায্যে গ্রামীণ কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব, যা গ্রামীণ কোন্দল নিরসন করতে পারে।
১২. ভূমি ব্যবস্থার উন্নয়নঃ
গ্রামীণ কোন্দলের একটি বড় অংশ বিভিন্ন সময়ে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়ে থাকে। আর এর ফলে গ্রামীণ সাধারণ জনগণের মধ্যে সামাজিক সম্পর্কের অবনতি ঘটে থাকে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উভয় দিক গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত করে থাকে। গ্রামীণ এ ভূমি ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন সম্ভব হলে সাধারণ গ্রামীণ জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন সাধন সম্ভব।
১৩. ক্ষমতা কাঠামোর উন্নয়নঃ
গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোর প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন অংশের মধ্যকার সমস্যা ও কোন্দলের কারণে গ্রামীণ সামাজিক নানা কোন্দল দেখা দিয়ে থাকে। আর এসব গ্রামীণ দ্বন্দ্ব সংঘাত গ্রামীণ সাধারণ জনগণের জন্য নানা ধরনের সমস্যা বয়ে আনে। গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো, যেমন- জেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদের সাথে অপ্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা কাঠামো যেমন-গ্রাম সালিশ, পঞ্চায়েত, বিচার আদালত প্রভৃতি বিভিন্ন সময়ে নানা ঝগড়া-বিবাদ ও দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয় যার ফলে গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামো ব্যাপকভাবে প্রভাবিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ঐক্য গ্রামীণ কোন্দল প্রশমন করে।
সবশেষেঃ
পরিশেষে বলা যায় যে, গ্রামীণ জনজীবন মূলত সামাজিক শান্তি ও সংহতির প্রতীক। গ্রামীণ সমাজে বিভিন্ন ধরনের দ্বন্দ্ব সংঘাত গ্রামীণ উন্নয়নের স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করে থাকে। আর এর ফলে গ্রামীণ ঐক্যও বাধাপ্রাপ্ত হয়। গ্রামীণ জনজীবনে একটি সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা কাঠামোর উপর প্রতিষ্ঠিত হলেও এর অভ্যন্তরীণ নানা অবহেলা ও অসংগতি গ্রামীণ জনগণের জীবনযাত্রার মানকে ব্যাহত করে তাদের নানা কোন্দলের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আর এর ফলে অসংগতি দূর করার জন্য সমাজের সাধারণ জনগণের সচেতনতার পাশাপাশি গ্রামীণ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
