সাধারণ জ্ঞানঃ বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী

একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের পরিচয় বহন করে সেই দেশের জাতীয় প্রতীক ও বিষয়াবলী। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এবং দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ। লাল-সবুজের এই পতাকার সাথে জড়িয়ে আছে আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং অমূল্য ইতিহাস। বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী—যেমন জাতীয় পতাকা, জাতীয় প্রতীক, জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় দিবসসমূহ কেবল রাষ্ট্রীয় পরিচায়ক নয়, বরং এগুলো আমাদের জাতীয় ঐক্য, আত্মত্যাগ এবং বীরত্বগাঁথার অনন্য দলিল।

General Knowledge National Affairs of Bangladesh
সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী

সাধারণ জ্ঞানঃ বাংলাদেশের জাতীয় সকল বিষয়সমূহ সম্পর্কে 

১. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক কী? 
উঃ উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা। তার মাথায় পাটগাছের পরপর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয় পাশে দুটি করে তারকা।

২. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার কে?
উঃ কামরুল হাসান।

৩. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পাখির নাম কী?
উঃ দোয়েল।

৪. প্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের নাম কী?
উঃ শাপলা।

৫. প্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম কী?
উঃ কাঁঠাল।

৬. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় গাছের নাম কী?
উঃ আম গাছ।

৭. প্রশ্নঃ আম গাছকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয় কবে থেকে?
উঃ ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ সালে।

৮. প্রশ্ন: বাংলাদেশের জাতীয় পশুর নাম কী?
উঃ রয়েল বেঙ্গল টাইগার।

৯. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় মাছের নাম কি?
উঃ ইলিশ।

১০. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় বনের নাম কী? 
উঃ সুন্দরবন।

১১. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদের নাম কী?
উঃ বায়তুল মোকাররম মসজিদ।

১২. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার কোনটি?
উঃ জাতীয় গ্রন্থাগার, গুলিস্তান, ঢাকা।

১৩. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরের নাম কী?
উঃ ঢাকা জাতীয় জাদুঘর (শাহবাগ)।

১৪. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় উদ্যানের নাম কী?
উঃ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

১৫. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় বিমানবন্দরের নাম কী?
উঃ শাহজালাল (র) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

১৬. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় খেলার নাম কী?
উঃ কাবাডি (হাডুডু)।

১৭. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় কবির নাম কী?
উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।

১৮. প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় কত সালে?
উঃ ১৯৭৪ সালে।

১৯. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় শিশু পার্ক কোনটি?
উঃ ঢাকা শিশু পার্ক।

২০. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় উৎসব কোনটি?
উঃ বাংলা নববর্ষ বরণ উৎসব।

২১. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?
উঃ ২৬ মার্চ।

২২. প্রশ্নঃ ২৬ মার্চ কে জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় কত সালে?
উঃ ১৯৮০ সালে।

২৩. প্রশ্নঃ বায়তুল মোকাররমকে জাতীয় মসজিদ হিসেবে ঘোষণা করা হয় কবে?
উঃ ১৯৮২ সালে।

২৪. প্রশ্ন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম কী?
উঃ লালবৃত্তের মধ্যে হলুদ মানচিত্র এবং উপরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এবং নিচে সরকার ও উভয় পাশে ২টি করে মোট ৪টি তারা রয়েছে।

২৫. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার কে?
উঃ এ.এন.এ. সাহা।

২৬. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মানচিত্র প্রথম কে আঁকেন?
উঃ মেজর জেমস রেনেল।

২৭. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত কোনটি?
উঃ 'আমার সোনার বাংলা'-এর প্রথম ১০ চরণ।

২৮. প্রশ্নঃ জাতীয় সংগীতের গীতিকার ও সুরকার কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

২৯. প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
উঃ ৪ চরণ।

৩০. প্রশ্নঃ আমার সোনার বাংলা কবিতাটির মোট কয়টি চরণ আছে?
উঃ ২৫টি।

৩১. প্রশ্নঃ জাতীয় সংগীত সর্বপ্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উঃ বঙ্গদর্শন পত্রিকায়।

৩২. প্রশ্নঃ জাতীয় সংগীত সর্বপ্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৩১২ বাংলা ও ইংরেজি ১৯০৫ সালে।

৩৩. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্য থেকে নেয়া হয়েছে?
উঃ স্বর বিতান কাব্য থেকে (কাব্যগ্রন্থ গীতবিতান)।

৩৪. প্রশ্নঃ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় কবে?
উঃ ৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে রেসকোর্স ময়দানে।

৩৫. প্রশ্নঃ 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি' বাংলাদেশে জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করা হয় কবে?
উঃ ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রে।

৩৬. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে স্থান পায়?
উঃ বাংলার প্রকৃতির কথা।

৩৭. প্রশ্নঃ ১৯০৫ সালে রচিত আমার সোনার বাংলা মুখ্য উদ্দেশ্য কী ছিল?
উঃ পূর্ব ও পশ্চিম উভয় বঙ্গকে একত্রীভূত করা।

৩৮. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের প্রথম ইংরেজি অনুবাদক কে? 
উঃ সৈয়দ আলী আহসান

৩৯. প্রশ্নঃ সবচেয়ে বেশি মানুষ এক সাথে 'জাতীয় সংগীত' গেয়ে রেকর্ড করে কোন দেশে? 
উঃ বাংলাদেশে।

৪০. প্রশ্নঃ ২৬ মার্চ ২০১৪ জাতীয় সংগীত গাওয়ার যে বিশ্বরেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ তাতে ডিজিটাল গণনায় কতজন অংশগ্রহণ করেন?
উঃ ২,৫৪,৬৮১ জন।

৪১. প্রশ্নঃ গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ 'লাখো কণ্ঠে গাওযা 'সোনার বাংলাকে' স্বীকৃতি দেয় করে।
উঃ ৯ এপ্রিল ২০১৪ সালে।

৪২. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ কমনওয়েলথ যোগদানের প্রতিবাদে কোন দেশ কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল?
উঃ পাকিস্তান। 

৪৩. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক নির্বাচিত হয় কবে?
উঃ ১৭ অক্টোবর, ১৯৭২।

৪৪. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
উঃ ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪।

৪৫. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
উঃ ২৯ তম অধিবেশন।

৪৬. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
উঃ ১৩৬ তম।

৪৭. প্রশ্নঃ শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন কোন তারিখে?
উঃ ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ (২৯ তম অধিবেশন)।

৪৮. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সভাপতি নির্বাচিত হয় কবে?
উঃ ১৯৮৬ সালে।

৪৯. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে সভাপতি নির্বাচিত হয়?
উঃ ৪১তম।

৫০. প্রশ্নঃ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সভাপতিত্ব করেন কে?
উঃ হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

৫১. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ বা স্বস্তি পরিষদে কতবার সদস্যপদ লাভ করে?
উঃ ২ বার।

৫২. প্রশ্নঃ বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদ লাভ করে কবে?
উঃ ১০ নভেম্বর, ১৯৭৮ সালে (১৯৭৯-৮০)।

৫৩. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের রণ সংগীত কোনটি?
উঃ চল্ চল্ চল্ এর প্রথম ২১ লাইন।

৫৪. প্রশ্নঃ রণ সংগীতের গীতিকার ও সুরকার কে?
উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।

৫৫. প্রশ্নঃ কোন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে রণ সংগীতের কত লাইন বাজানো হয়?
উঃ ২১ লাইন।

৫৬. প্রশ্নঃ রণ সংগীত সর্বপ্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
উঃ শিখা পত্রিকায়।

৫৭. প্রশ্নঃ শিখা পত্রিকার কোন সংখ্যায় রণ সঙ্গীত প্রকাশিত হয়?
উঃ দ্বিতীয় বার্ষিক সংখ্যায়।

৫৮. প্রশ্ন: রণ সংগীত সর্বপ্রথম কত সালে প্রকাশিত হয়েছিল?
উঃ ১৩৩৫ বাংলা এবং ইংরেজি ১৯২৮ সালে।

৫৯. প্রশ্নঃ রণ সংগীত প্রথম প্রকাশিত হয় কোন শিরোনামে?
উঃ নতুনের গান শিরোনামে।

৬০. প্রশ্নঃ রণ সংগীত নজরুলের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে?
উঃ সন্ধ্যা কাব্যগ্রন্থ থেকে।

৬১. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
উঃ কামরুল হাসান।

৬২. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অনুপাত কত?
উঃ ১০:৬ বা ৫:৩

৬৩. প্রশ্নঃ জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের মাপ কত?
উঃ পতাকার ৫ ভাগের ১ অংশ।

৬৪. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কবে?
উঃ ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে।

৬৫. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম কে, কোথায় উত্তোলন করেন?
উঃ আ. স. ম আবদুর রব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সমাবেশে।

৬৬. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পতাকা দিবস কবে?
উঃ ২ মার্চ।

৬৭. প্রশ্নঃ জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সর্বপ্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় কবে, কোথায়, কে?
উঃ ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে শাজাহান সিরাজ।

৬৮. প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবে, কোথায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন?
উঃ ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ধানমণ্ডিতে নিজ বাসভবনে।

৬৯. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পতাকার সাথে মিল রয়েছে কোন দেশের পতাকার?
উঃ জাপানের পতাকার।

৭০. প্রশ্নঃ বিদেশে কোন মিশনে বাংলাদেশের পতাকা সর্বপ্রথম উত্তোলন করা হয়?
উঃ ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে ভারতের কলকাতাস্থ বাংলাদেশ মিশনে।

৭১. প্রশ্নঃ মানচিত্রখচিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে ছিলেন?
উঃ শিব নারায়ণ দাস।

৭২. প্রশ্নঃ জাতীয় প্রতীক ব্যবহারের অধিকারী কারা?
উঃ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

৭৩. প্রশ্নঃ কোন কোন দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উঃ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, বিজয় দিবস, বিপ্লব ও সংহতি দিবস, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত অন্য যে কোনো দিবস।

৭৪. প্রশ্নঃ বাসভবন, নৌযান, গাড়ি ও বিমানে কে কে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারেন?
উঃ রাষ্ট্রপ্রতি ও প্রধানমন্ত্রী।

৭৫. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কতটি মর্যাদাসম্পন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তির বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়? 
উঃ ১৫টি।

৭৬. প্রশ্নঃ কোন মর্যাদাসম্পন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উঃ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রী, চীপ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধী দলের নেতা, মন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, প্রতিমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, উপমন্ত্রী, উপমন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে বাংলাদেশের কূটনীতিক এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

৭৭. প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কতটি মর্যাদাসম্পন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি গাড়ি ও জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারে?
উঃ ১০টি।

৭৮. প্রশ্নঃ কোন কোন মর্যাদাসম্পন্ন পদের ব্যক্তিগণ গাড়ি বা জলযানে পতাকা ব্যবহার করতে পারেন?
উঃ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা, চীপ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রীর মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনীতিকগণ।

৭৯. প্রশ্নঃ বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানব পতাকা কোন দেশের?
উঃ বাংলাদেশের (১৬ ডিসেম্বর ২০১৩ বিজয় দিবসের ৪৩তম বার্ষিকীতে ২৭,১১৭ জন লোক লাল সবুজের পতাকা তৈরী করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন।

৮০. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীতের প্রথম দুই লাইন কী?
উঃ বাংলাদেশের দুরন্ত সন্তান আমার দুর্দম দুর্জয় ক্রীড়াজগতের শীর্ষে রাখবো আমরা শৌর্যের পরিচয়।

৮১. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীতের রচয়িতা কে?
উঃ সেলিমা রহমান।

৮২. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীতের সুরকার কে?
উঃ খন্দকার নুরুল আলম।

৮৩. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীত কত চরণবিশিষ্ট?
উঃ ১০ চরণ।

৮৪. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের ক্রীড়া সঙ্গীতের শেষ চরণটি কী?
উঃ 'বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের নাম হবে গৌরবময়'।

৮৫. প্রশ্নঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস কোনটি?
উঃ ২৬ মার্চ।

৮৬. প্রশ্নঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয় কত তারিখে?
উঃ ২১ ফেব্রুয়ারি।

৮৭. প্রশ্নঃ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় কত সালে?
উঃ ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে।

৮৮. প্রশ্নঃ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে কোন সংস্থা?
উঃ UNESCO.

৮৯. প্রশ্নঃ UNESCO এর কততম বৈঠক ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
উঃ ৩১ তম বৈঠকে।

৯০. প্রশ্নঃ কত সাল থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে? 
উঃ ২০০০ সাল থেকে।

৯১. প্রশ্নঃ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষ দিবস হিসেবে কতটি দেশ পালন করে?
উঃ ১৮৮টি দেশ (২০০০ সালে)।

৯২. প্রশ্নঃ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বর্তমানে কতটি দেশ পালন করে? 
উঃ ১৯২টি।

৯৩. প্রশ্নঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রথমবারের মতো কোন দেশ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি সমন্বিত ডাকটিকেট প্রকাশ করে?
উঃ যুক্তরাষ্ট্র।

৯৪. প্রশ্নঃ জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস কবে?
উঃ ১৯ জানুয়ারি

৯৫. প্রশ্নঃ জাতীয় শিক্ষক দিবস কবে?
উঃ ১৯ জানুয়ারি।

৯৬. প্রশ্নঃ জাতীয় প্রশিক্ষণ দিবস কবে?
উঃ ২৩ জানুয়ারি।


পরিশেষেঃ

পরিশেষে বলা যায়, জাতীয় বিষয়াবলী একটি জাতির অস্তিত্ব ও চেতনার দর্পণ। এগুলো আমাদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করে এবং বিশ্বমঞ্চে একটি স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে আমাদের তুলে ধরে। জাতীয় ঐতিহ্যের এই উপাদানগুলোকে জানা এবং তাদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি নাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব। এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই আমরা একটি সমৃদ্ধ ও সুন্দর সোনার বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যেতে পারি।


Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url