সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীনকাল থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত)
হেলো ভিউয়ার'স কেমন আছেন সবাই? আশাকরি সবাই ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীনকাল থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত) প্রথম পর্ব সম্পর্কে। এই পর্বে রয়েছে প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের উৎস, প্রাচীন বাংলার ভৌগলিক পরিবেশ, প্রাচীন বাংলার জনপদ সমূহ এবং মধ্যযুগ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর। তাহলে চলুন শুরু করা যাক-
![]() |
| সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীনকাল থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত) |
সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর: প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের উৎস
০১। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস পুণর্গঠনে কোন কোন উপাদানের উপর প্রধানত ঐতিহাসিকদের নির্ভর করতে হয়েছে?
উত্তর: (১) প্রত্মতাত্ত্বিক উপাদান: (ক) লিপিমালা, (খ) মুদ্রা, (গ) প্রত্মতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ
(২) সাহিত্যিক উপাদান: (ক) প্রাচীন সাহিত্য, (খ) বিদেশীদের বর্ণনা।
০২। মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি কোন রাজবংশের শাসনের সাক্ষ্য বহন করে?
উত্তর: মোর্য রাজবংশের।
০৩। বাংলার উপর গুপ্ত রাজাদের আধিপত্যের প্রমাণ কোন প্রশস্তিতে জানা যায়?
উত্তর: হরিসেন রচিত এলাহবাদ প্রশস্তিতে।
০৪। খালিমপুর তাম্রলিপি কোন শাসকের সময় উৎকীর্ণ হয়েছিল?
উত্তর: ধর্মপাল।
০৫। কোন লিপি হতে দেবপালের কৃতিত্ব সম্পর্কে জানা যায়?
উত্তর: দেবপালের মুঙ্গের তাম্রশাসন থেকে।
০৬। কোন কোন উৎস থেকে সেন রাজাদের আদি পরিচয় এবং বাংলায় তাদের ক্ষমতা লাভ সম্পর্কে জানা যায়?
উত্তর: বিজয় সেনের দেওয়াপাড়া লিপি এবং বল্লাল সেনের নৈহাটি তাম্রশাসন।
০৭। 'মেহেরাওলী স্তম্ভলিপি' কোথায়?
উত্তর: দিল্লীর নিকটবর্তী কুতুবমিনার সংলগ্ন।
০৮। মেহেরাওলী স্তম্ভলিপিতে কোন রাজার বিজয় কাহিনী লিপিবদ্ধ আছে?
উত্তর: চন্দ্র নামধারী এক রাজার বিজয় কাহিনী।
০৯ । মৌর্যযুগে কি ধরনের মুদ্রার প্রচলন ছিল এবং মুদ্রার নাম কি ছিল?
উত্তর: মৌর্যযুগে 'পুরাণ' নামে এক প্রকার রৌপ্য মুদ্রার প্রচলন ছিল।
১০। গুপ্তযুগে কি ধরনের মুদ্রার প্রচলন ছিল?
উত্তর: স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা।
১১। প্রাচীন বাংলার ইতিহাস পুণর্গঠনে বাংলায় আবিষ্কৃত ধ্বংসবশেষ সমূহের নাম উল্লেখ কর?
উত্তর: বাংলায় অবস্থিত ধ্বংসাবশেষ সমূহের মধ্যে মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর ও ময়নামতি বিশেষ উল্লেখয্যোগ্য।
১২। কোন গ্রন্থটি প্রাচীন বাংলার ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মনে করা হয়?
উত্তর: কৌটিল্যের 'অর্থশাস্ত্র'।
১৩। কোন গ্রন্থে হর্ষবর্ধনের সঙ্গে বাংলার রাজা শশাঙ্কের সংঘর্ষের বিবরণ আছে।
উত্তর: বানভট্ট রচিত 'হর্ষচরিত'।
১৪। কোন গ্রন্থ থেকে শশাঙ্ক ও পাল রাজাদের সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য পাওয়া যায়?
উত্তর: 'আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্প'
১৫। 'রামচরিত' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: সন্ধ্যাকর নন্দী।
১৬। 'রামচরিত' গ্রন্থে কোন পাল রাজার ইতিহাস জানা যায়?
উত্তর: রামপাল।
১৭। লামা তারানাথ কোন দেশের ঐতিহাসিক ছিলেন?
উত্তর: তিব্বতীয়।
১৮। লামা তারানাথ রচিত গ্রন্থের নাম কি ছিল?
উত্তর: ভারতে বৌদ্ধধর্মের ইতিহাস।
১৯। লাম তারানাথের গ্রন্থে বাংলার কোন রাজ বংশের ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায়?
উত্তর: পাল বংশ।
২০। কাদের রচনা থেকে বাংলা ভূখন্ডে 'গঙ্গারিডই' নামে এক শক্তিশালী জাতির উল্লেখ পাওয়া যায়?
উত্তর: গ্রীক ও ল্যাটিন লেখকদের রচনায়।
২১। কোন চৈনিক পর্যটকের বিবরণ থেকে বাংলার রাজা শশাঙ্কের সঙ্গে হর্ষবর্ধনের সংঘর্ষের কথা জানা যায়?
উত্তর: হিউয়েন সাঙ।
২২। প্রাচীন কোন গ্রন্থে সর্বপ্রথম 'বঙ্গ নামের উল্লেখ পাওয়া যায়?
উত্তর: বৈদিক সাহিত্য 'ঐতরেয় আরণ্যক' গ্রন্থে।
২৩। বাংলার কোন সুলতানকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালা' বলা হয়?
উত্তর: সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ।
২৪। কোন মুসলমান সুলতান সর্বপ্রথম সমগ্র বাংলার অধিপতি হন?
উত্তর: সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ।
২৫। মুঘল শাসনামলে বাংলা কি নামে পরিচিত ছিল?
উত্তর: 'সুবা বাংলা'।
২৬। কোন কোন জনগোষ্ঠীর সংমিশ্রণে বর্তমানে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে?
উত্তর: প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে অস্ত্রিক, দ্রাবিড়, আলপীয় জনগোষ্ঠীর সাথে আর্য, মোঙ্গলীয়, আরবীর, তুর্কী প্রভৃতি জাতির সংমিশ্রণে বর্তমানে বাঙালী জাতি গড়ে উঠেছে।
২৭। কোন জনগোষ্ঠীকে 'নিষাদ' জাতি বলা হয়?
উত্তর: অস্ত্রিক জনগোষ্ঠীকে।
সাধারণ জ্ঞান: প্রাচীন বাংলার ভৌগোলিক পরিবেশ
২৮। ভারতীয় উপমহাদেশে বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?
উত্তর: ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাংশে বাংলার অবস্থান মোটের উপর ২১০-২৮° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৭০-৯০°৩০′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে।
২৯। পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ বা Delta বলা হয় কোন অঞ্চলকে?
উত্তর: ভারতীয় উপমহাদেশের সমগ্র বাংলা অঞ্চলকে।
৩০। বাংলার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বড় নদীর নাম লিখ।
উত্তর: গঙ্গা, পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, করতোয়া, মহানন্দা, ভাগিরথী, যমুনা ও মেঘনা।
৩১। গঙ্গা নদীর উৎপত্তি স্থল কোথায়?
উত্তর: হিমালয় পর্বতে।
৩২। গঙ্গার শাখা নদী কোনটি?
উত্তর: পদ্মা।
৩৩। ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি স্থল কোথায়?
উত্তর: হিমালয় পর্বতের কৈলাশশৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদে।
৩৪। ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখার নাম কি?
উত্তর: যমুনা।
৪৫। পদ্মার প্রধান উপনদী কোনটি?
উত্তর: মহানন্দা।
৩৬। পদ্মানদী কোথায় যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে?
উত্তর: রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দের নিকটে।
৩৭। মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
উত্তর: আসামের লুসাই পাহাড়।
৩৮। মেঘনা নদী কোথায় পতিত হয়েছে?
উত্তর: বঙ্গোপসাগরে।
৩৯। ঢাকা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
উত্তর: বুড়িগঙ্গা।
৪০। উত্তর বঙ্গের প্রধান নদীর নাম কি?
উত্তর: তিস্তা বা ত্রি-স্রোতী।
সাধারণ জ্ঞান কুইজ: প্রাচীন বাংলার জনপদ
৪১। কোন গ্রন্থে সর্বপ্রথম বঙ্গের নাম পাওয়া যায়?
উত্তর: 'ঐতরেয় আরণ্যক' গ্রন্থে।
৪২। প্রাচীনকালে বঙ্গ কোন কোন অঞ্চলে নিয়ে গঠিত ছিল?
উত্তর: বর্তমান মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, চব্বিশ পরগণা, যশোর, পাবনা, বরিশাল, ফরিদপুর এবং রাজশাহী জেলার কিয়দংশ।
৪৩। পুণ্ড্র দেশের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: পুণ্ড্রবর্ধন।
৪৪। উত্তর বঙ্গের সুপ্রসিদ্ধ জনপদের নাম কি ছিল?
উত্তর: বরেন্দ্র।
৪৫। গৌড়ের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: কর্ণসুবর্ণ।
৪৬। রাঢ় জনপদের অপর নাম কি ছিল?
উত্তর: সুক্ষ্ম।
৪৭। চন্দ্রদ্বীপ জনপদটি কোথায় অবস্থিত ছিল?
উত্তর: বাখরগঞ্জ (ররিশাল) জেলায়।
৪৮। প্রাচীন হরিকেল জনপদের বর্তমান নাম কি?
উত্তর: শ্রীহট্ট বা সিলেট।
৪৯। প্রাচীন সমতট জনপদটি কোন অঞ্চলে অবিস্থত ছিল?
উত্তরঃ কুমিল্লা জেলা।
৫০। তাম্রলিপি জনপদের কেন্দ্রস্থল কোথায় ছিল?
উত্তর: বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুক এলাকা।
৫১। আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় বাংলাদেশে কোন পরাক্রান্ত রাজ্য বিরাজমান ছিল?
উত্তর: গঙ্গরিডই রাজ্য।
৫২। বাংলাদেশের কোন অঞ্চল মৌর্য সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল?
উত্তর: বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল।
৫৩। গঙ্গবিড়ই রাজ্যের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: গঙ্গে।
৫৪। গুপ্ত বংশের প্রথম ঐতিহাসিক ব্যক্তি কে ছিলেন?
উত্তর: শ্রীগুপ্ত।
৫৫। শ্রীগুপ্তের পুত্রের নাম কি ছিল?
উত্তর: ঘটোৎকচ।
৫৬। গুপ্ত রাজাদের আদি বাসস্থান কোথায় ছিল?
উত্তর: বাংলাদেশে।
৫৭। গুপ্তবংশের কোন রাজা বাংলাদেশে অধিকাংশ অঞ্চল গুপ্ত সাম্রাজ্যভুক্ত করেছিলেন?
উত্তর: সমুদ্রগুপ্ত।
৫৮। বাংলার গুপ্ত প্রাদেশিক শাসনের কেন্দ্রস্থল কোথায়?
উত্তর: পুন্ড্রনগর (মহাস্থান)।
৫৯। গুপ্তযুগে শ্রেষ্ঠ গণিত শাস্ত্রবিদের নাম কি?
উত্তরঃ আর্যভট্ট।
৬০। গুপ্ত রাজারা কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
উত্তরঃ হিন্দু ধর্মের।
৬১। শশাঙ্ক কে ছিলেন?
উত্তরঃ বাংলার প্রথম স্বাধীন সার্বভৌম রাজা।
৬২। শশাঙ্ক কোন রাজ্যের রাজা ছিলেন?
উত্তর: গৌড় রাজ্যের।
৬৩। শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: কর্ণসুবর্ণ।
৬৪। কত সালে শশাঙ্ক গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: ৬০৬ সালে।
৬৫। শশাঙ্কের উপাধী কি ছিল?
উত্তর: মহাসামন্ত।
৬৬। শশাঙ্ক উত্তর ভারতের কোন রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন?
উত্তর: সম্রাট হর্ষবধন।
৬৭। শশাঙ্ক কোন ধর্মাবলম্বী ছিলেন?
উত্তর: শৈব।
৬৮। শশাঙ্কের শাসনামলে কোন চৈনিক পরিব্রাজক বাংলায় আগমণ করেন?
উত্তরঃ হিউয়েন-সাঙ।
৬৯। কোন কোন ঐতিহাসিক উপাদান থেকে শশাঙ্ক সম্পর্কে জানা যায়?
উত্তর: হর্ষবর্ধনের সভাকবি বাণভট্টের 'হর্ষচরিত' এবং চীনা পর্যটক হিউয়েন সাঙ্ এর বিবরণ থেকে।
৭০। শশাঙ্ক কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তরঃ ৬৩৭ খ্রীঃ।
৭১। কোন কোন উপাদান হতে আমরা গোপালের সিংহাসনে আরোহণের ঘটনা জানতে পারি?
উত্তর: ধর্মপালের খালিমপুর তাম্রশাসন ও তিববতীয় লেখক লামা তারানাথের বিবরণী।
৭২। পাল শাসক গোপালের পিতামহের নাম কি?
উত্তর: দায়িত্ব বিষ্ণু।
৭৩। গোপালের পিতার নাম কি ছিল?
উত্তর: বপ্যট।
৭৪। পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
উত্তর: গোপাল।
৭৫। 'মাৎস্যন্যায়' শব্দটি কোন ভাষার?
উত্তর: সংস্কৃত ভাষার।
৭৬। পালদের পিতৃভূমি কোথায় ছিল?
উত্তর: 'বরেন্দ্র' (উত্তর বাংলা)।
৭৭। পাল রাজাদের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: মগধ।
৭৮। খালিমপুর তাম্রলিপি কোন পাল রাজার সময় উৎকীর্ণ হয়েছিল?
উত্তর: ধর্মপাল।
৭৯। ধর্মপাল কে ছিলেন?
উত্তর: গোপালের পুত্র।
৮০। ধর্মপাল কত সালে সিংহাসনে আরোহণ করেন?
উত্তর: আনুমানিক ৭৮১ খ্রীস্টাব্দে।
৮১। উত্তর ভারতে প্রধান্য প্রতিষ্ঠার জন্য কোন কোন শক্তির মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল?
উত্তর: উত্তর ভারতের গুর্জর প্রতিহার, বাংলার পাল রাজাগণ ও দাক্ষিণাত্যের রাষ্ট্রকুট রাজাগণ।
৮২। ভারতের কোন অঞ্চলকে কেন্দ্র করে ত্রিপক্ষীয় সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল?
উত্তর: উত্তর ভারতের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত কনৌজ রাজ্যকে কেন্দ্র করে।
৮৩। পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার কে নির্মাণ করেন?
উত্তর: ধর্মপাল।
৮৪। পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত?
উত্তর: সোমপুর বিহার।
৮৫। পাল যুগের কোন রাজার রাজত্বকালে সামন্ত বিদ্রোহ দেখা দেয়?
উত্তর: দ্বিতীয় মহীপাল।
৮৬। বরেন্দ্রে সামন্ত বিদ্রোহে কে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন?
উত্তর: কৈবর্তনায়ক দিব্য।
৮৭। কোন পাল রাজা পুনরায় বরেন্দ্র পুনরুদ্ধার করেছিলেন?
উত্তর: রামপাল।
৮৮। 'রামচরিত' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তর: সন্ধ্যাকর নন্দী।
৮৯। পাল বংশের শেষ রাজার নাম কি?
উত্তর: গোবিন্দ পাল।
৯০। পাল রাজারা কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
উত্তর: বৌদ্ধ ধর্মের।
৯১। চন্দ্র বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
উত্তর: ত্রৈলোক্য চন্দ্র।
৯২। চন্দ্র রাজারা কোথায় রাজত্ব করতেন?
উত্তর: দক্ষিণ পূর্ব বাংলায়।
৯৩। চন্দ্র রাজাদের নাম উল্লেখ কর।
উত্তরঃ পূর্ণ চন্দ্র, সুবর্ণ চন্দ্র, ত্রৈলোক্য চন্দ্র, শ্রী চন্দ্র, কল্যাণ চন্দ্র, লডহ চন্দ্র ও গোবিন্দ চন্দ্র।
৯৪। চন্দ্র বংশের শ্রেষ্ঠ নরপতি কে ছিলেন?
উত্তর: শ্রী চন্দ্র।
৯৫। শ্রী চন্দ্র কি উপাধী ধারণ করেছিলেন?
উত্তর: পরমেশ্বর পরমভট্টায়ক মহারাজাধিরাজ।
৯৬। শ্রীচন্দ্রের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: ঢাকা জেলার বিক্রমপুর।
৯৭। চন্দ্র বংশের কোন রাজার সময় দাক্ষিণাত্যের রাজেন্দ্র চোল বাংলা আক্রমণ করেছিলেন?
উত্তর: গোবিন্দচন্দ্রের রাজত্বকালে।
৯৮। চন্দ্র বংশের শেষ রাজা কে ছিলেন?
উত্তর: গোবিন্দচন্দ্র।
৯৯। কোন কোন উৎস হতে সেন রাজাদের আদি পরিচয় এবং বাংলায় তাঁদের ক্ষমতা লাভ সম্পর্কে জানা যায়?
উত্তর: বিজয়সেনের দেওপাড়া লিপি, বল্লালসেনের নৈহাটি তাম্রাশাসন ও বিভিন্ন সাহিত্যিক উপাদান।
১০০। সেনদের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
উত্তর: দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকে।
১০১। সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
উত্তর: বিজয় সেন।
১০২। বিজয় সেনের পিতার নাম কি ছিল?
উত্তর: হেমন্ত সেন।
১০৩। বিজয় সেন কত সালে সিংহাসনে আরোহণ করেন?
উত্তর: আনুমানিক ১০৯৮ সালে।
১০৪। 'দেওপাড়া প্রশাস্তি' কে রচনা করেন?
উত্তর: কবি উমাপতিধর।
১০৫। বিজয় সেনের পত্নীর নাম কি ছিল?
উত্তর: শূরবংশীয় রাজকন্যা বিলাস দেবী।
১০৬। বিজয় সেন কোন ধর্মাবলম্বী ছিলেন?
উত্তর: শৈব।
১০৭। বাংলায় কৌলিন্য প্রথা কে প্রর্বতন করেন?
উত্তর: বল্লাল সেন।
১০৮। বল্লাল সেন রচিত দুটি গ্রন্থের নাম কি ছিল?
উত্তর: 'দান সাগর' ও 'অদ্ভুত সাগর'।
১০৯। বাংলার শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজার নাম কি?
উত্তর: লক্ষ্মণ সেন।
১১০। লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার কয়েকজন প্রসিদ্ধ কবির নাম লিখ।
উত্তর: ঘোয়ী, শরণ, জয়দেব, গোবর্ধন, উমাপতিধর প্রভৃতি।
১১১। লক্ষ্মণসেন কোন ধর্মের অনুরাগী ছিলেন?
উত্তর: বৈষ্ণবধর্মের।
১১২। লক্ষ্মণ সেনের সময় কোন মুসলিম সেনাপতি প্রথম বাংলা জয় করেন?
উত্তর: ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী।
১১৩। কত সালে লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যু হয়?
উত্তর: আনুমানিক ১২০৫ সালে।
মধ্য যুগ
১১৪। 'তবাকত-ই-নাসিরী' গ্রন্থের লেখক কে?
উত্তরঃ মিনহাজ-উস-সিরাজ।
১১৫। 'তারিখ-ই-ফীরূজশাহী' কে রচনা করেন?
উত্তর: জিয়া-উদ-দীন বরণী।
১১৬। 'রিয়াজ-উস-সালাতীন' গ্রন্থের লেখক কে?
উত্তর: সৈয়দ গোলাম হোসেন সলীম।
১১৭। 'রিয়াজ-উস-সালতীন' গ্রন্থটি কোন ভাষায় লিখিত?
উত্তর: ফার্সী ভাষায়।
১১৮। 'আইন-ই-আকবর' ও 'আকবর নামা' গ্রন্থ দুটির লেখক কে?
উত্তর: আবুল ফজল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন for "সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীনকাল থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত)"
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন